এনসিপি যতোগুলো আসন পেলো ? উচ্চকক্ষে কোন প্রদ্বতিতে হলো বন্টন ?




কেনো এই গনভোট? গনভোটের কাজ কি? 

দ্বীর্ঘ ১৭ বছর পরে বাংলাদেশের জনগন উৎসবমুখুর ভাবে ২০২৬ এর  নির্বচনের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করেছেন। বিগত সকল সাধারণ  নির্বাচনের মতো  ছিলো না এবারে নির্বাচেন । এই নির্বাচন শুধু যোগ্য ব্যাক্তিকে সরকার প্রধান হিসেবে নির্বাচিত কারার উদ্দেশ্য ছিলো , এই নির্বাচন অনুষ্টিত হয়েছিল দেশ কে ও দেশের শাসকের আচরন প্ররিবর্তন  করাই  এর মুল  উদ্দেশ্য ।  বাংলাদেশের কোনো শাসক যেনো শ রাচার হয়ে উঠতে না পারেন তা প্রতিরোধ করায় ছিলো এই গনভোট । 

২০২৬ নির্বচনের মোট ভোটার উপস্থিতি (প্রায় ৭.৭৬ কোটি মানুষ ভোট দিয়েছে) যেখানে হ্যা ভোট ৬৮% পেয়ে জয়যুক্ত হয়েছে , গনেভোটের আখাংকার  পক্ষে  জনগনের সর্থন পেয়েছেন সরকার । যা পরিবর্তন হবে : গণভোটে মূল বিষয়গুলো ছিল—


  • সংবিধান সংশোধন
  • জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন
  • দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা (উচ্চকক্ষ গঠন)
  • নির্বাচন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংস্কার
  • প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও মেয়াদ বিষয়ে পরিবর্তন
  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জোরদার
  • নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি
  • মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ 

গনভোটের অন্যতম বিষয় হলো  দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা (উচ্চকক্ষ গঠন) : 

  • একটি উচ্চকক্ষ গঠনের পরিকল্পনা – জাতীয় সংসদে নির্বাচনের ফলে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে।
  • উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতিকেই ভবিষ্যতের সংবিধান সংশোধনে বাধ্যতামূলক ধরা হবে।

বিএনপি , জামায়াত ইসলাম, এনসিপি কে কত আসন পেলো?

ভোট বিবেচনায় অসন বিন্যাস হলে একক ভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদি দল বিএনপি ৪৮ টি ও জামায়াত ইসলাম ৩৩ টি আর এনসিপি ১১ দলিয় শরিকরা ৯ টি আসন পাবেন । আর যদি নিম্ন কক্ষের আসনের ভিত্তিতে হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে বিএনপি ৬৯ এবং জামায়াত ইসলাম  ২২ টি পাবে ।

উচ্চ কক্ষের কাজ কি ও ক্ষমতা কতোটুকু?

গনভোটের শর্ত অনুসারে সংবিধান সংশোধন করতে উচ্চ কক্ষের সংখ্যাঘরিষ্ঠের অনুমতি লাগবে এবং রাট্রপ্রতির অবিসংশনের উচ্চ কক্ষের দুই তৃতীয় সদ্যশর অনুমতি লাগবে ।





একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন